এফবিআই এজেন্টকে বিএনপির ঘুষ দেয়া নিয়ে কেলেঙ্কারী কিছুতেই বিতর্ক পিছু ছাড়ছেনা বিএনপির

মাহবুবুল আলম

জীবনের প্রাথমিক শিক্ষাসফর-২য় পর্ব

মাদরাসায় ক্লাস শুরু হওয়ার পর থেকে নিজেকে বড় মানুষ মনে হতে লাগল। নিজের কাজ নিজে করি। নিজে গোসল করি। নিজের বিছানা নিজে করি, ঘুম থেকে ওঠে মশারি উঠাই। আর পড়ালেখা তো আগে থেকেই করি। খাবার-দাবার বাসা থেকে আসত । তিন বেলাই। আব্বু সকালে অফিসে যাওয়ার সময় নাস্তা আর দুপুরের খাবার হটপটে করে নিয়ে আসত । আর সন্ধ্যায় আম্মু খাবার নিয়ে আসত । বাসা থেকে মাদরাসা প্রায় দুই কিঃমিঃ। আব্বু-আম্মু প্রতিদিন আমার জন্য এতদূর থেক

জাতীয় গৌরব রক্ষার দায়িত্ব কার?

জাতীয় গৌরব সমুন্নত রাখার দায়িত্ব কার? নিঃসন্দেহে সরকারের। কারণ তাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করা হয়েছে এই কাজের জন্যই। যদি তারা তা করতে ব্যর্থ্য হয় তাহলে আন্দোলনটা কাদের বিরুদ্ধে হবে বা হওয়া উচিত?

মুভি রিভিউ : পিঁপড়াবিদ্যা

অস্বীকার করবো না, সিনেমা হলে যখনই কোন বাংলা ছবি দেখতে যাই তখনি আমি কিছুটা প্রিডিটারমাইন্ড থাকি। মানে দেশি সিনে জগতের হাল-হকিকতের ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে অনেকটা জোর করে সিনেমার মান যেমনই হোক ভাল লাগবে গোত্রের মনোভাব নিয়ে হলে ঢুকি। হালের আশিকুর রহমান, স্বপন আহমেদ বা অনন্য মামুন সবার ক্ষেত্রেই সেটা মোটামুটি প্রযোজ্য। তবে বাংলাদেশের যে দু'তিন জন পরিচালক আছেন যাদের মুভি দেখতে যাই ঠিক উল্টো মনোভাব নিয়ে।

'সস্তা সুখের মোড়ক'

হাজার বছর ধরে যে রাত

গ্রাশ করে রেখেছে কোলাহল

নিরবতার চাদর বিছিয়েছে প্রকৃতির কোলে

সেই রাতে আজ আমি জেগে থাকি...

নির্ঘুম চোখে সপ্ন বুনি,

নানান রঙ্গের বর্ণহীন সপ্ন।

রাতের পরে রাত চলে যায়

পায়ের নিচে ফুটপাত বদলায়

চমকে চমকে ভরে থাকে

জিবনের প্রতিটি অদেখা অধ্যায়,

উপন্যাসের গল্পের মতন

আলো আঁধারিতে সস্তা সেন্টের গন্ধ,

রুমালের কোনে সুই করা

সুতোর আঁকনে লেখা যে নাম

অভিমানী সূর্যসন্তানের গল্প

ধরেন একটা টঙের দোকানে মাঝে মাঝেই বন্ধুরা মিলে আড্ডা মারেন, মাঝে মাঝে একা একাই বসে বসে মানুষের আসা যাওয়া দেখেন। দেখেন দোকানের মাঝ বয়সী লোকটা একের পর এক চা বানিয়ে দিয়ে বেড়াচ্ছে চা খেতে আসা লোকজনদের। হুট করে জানলেন যে লোকটার হাতে বানানো চা খেয়ে আড্ডায় মাতেন , রাজনীতির হাজারটা মার প্যাঁচের হিসাব কষেন সেই লোকটা নিজের হাতে দেশকে বাঁচাতে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছে একাত্তরে!! কেমন লাগবে আপনার ??

কালের মহাবিশ্ব।

কাঠ বাঙাল

একেবারে কাঠ-বাঙাল হবার সুবিধেটা কি জানো ;

সাদা কলারের ঘাম হলদে হয়ে গেলেও কিচ্ছু আসে-যায়না ;

আয়রণে জামার ভাঁজ তীক্ষ্ণ ভীষণ । ভেতরটায় কিন্তু কাদামাটির শুদ্ধ গন্ধ আমার ।

একদম কাঠ-বাঙাল আমি

কিটস আর জীবনানন্দ এক করে ফেলি ;

গুলিয়ে আঁখের গুড় হয়ে যায় রবীন্দ্রনাথে বারবার শেক্সপিয়র ।

কঠিন লাগে সব ;

জুতোর তলাটা একপাশ থেকেই ক্ষয়ে যায় প্রতিবার ;

মহাকালের মহাপ্রলয়

ড. আবু সাঈদ চায়ে শেষ চুমুক দিয়ে দোকানীকে জিজ্ঞেস করলেন- "চায়ের দাম কত?"

দোকানী অবাক হবার ভান করে চোখ কপালে তুলে বলল‚ "এইটা আপনি কি কইলেন স্যার? আপনার মতো বিখ্যাত মাইনষের কাছ থেইকা চায়ের দাম নিমু? আপনি ভাবতে পারলেন?"

সহীহ মগজ ধোলাই

বাঁশের কেল্লা’ নামে জামায়াত-শিবিরের আন্তর্জালিক তৎপরতামূলক একটি প্রচারমাধ্যমের অপপ্রচার দেখে ‘বাঁশের কেল্লা’ কনসেপ্টটির সুলুক সন্ধানে প্রবৃত্ত হই। বাঁশের কেল্লা আসলে কী? তারা এই ধারণাটা কোত্থেকে পেল? অনুসন্ধানটা চলছিল ধীর গতিতে। মোটামুটি পঠন-পাঠনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এই মধ্যরাতে।

রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট!

আমি একটু হিসেবি টাইপের মানুষ। শুধু যে টাকা পয়সা খরচের বেলায় হিসেবি তা নয়। সব ব্যাপারেই আমি বেশ হিসেবি। কয়েকটা উদাহরন দেই তাহলে বিষয়টা ভালো মত বুঝতে পারবেন।

১। বন্ধু-বান্ধবের সাথে আড্ডা দেয়ার চেয়ে আমার কাছে বাসায় বসে বই পড়া বা ইন্টারনেট সার্ফিং করা বেশী লাভজনক মনে হয়। কারন এতে জ্ঞান বাড়ে যা আমি আমার কর্মজীবনে প্রয়োগ করে লাভবান হতে পারি।

নগর পুড়লে, দেবালয় কি রক্ষা পাবে?

প্রায় একই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে আমরা তিনটি ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের সুযোগ পেয়ে গেলাম। শারদীয় দুর্গা পূজা, ঈদুল আযহা আর প্রবারণা পূর্ণিমা। যারা স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকেন, তারা জানেন সপ্তাহান্তে উৎসবগুলো পড়লে কেমন আনন্দ হয়! প্রায়.... তেমন আনন্দই হল আমার। কারণ বউ গেছে দেশে।

আজব রহস্যাগার

আজব রহস্যাগার

এধারে ছিল কাঁশবন ঘেরা এদোডোবা এক,
ঝর্ণাধারা ছিল এক ওধারে। ঝর্ণার জল এলো
এদোডোবা পাড়ে, আকাশ এলো কি নেমে
ধরার ‘পরে? শূণ্যগর্ভ হলো স্থির মঙ্গলে
গড়ে তুলবে এক আজব নগর – জীবনের রসায়ন,
আগামীর ভিত। বিজ্ঞানী তার্কিক তাবত ধর্মতত্ববিদ
গলদঘর্ম সদা খুঁজে ফিরে তীর রহস্যাগারের।

এখানে তার্কিক, ওখানে বিজ্ঞানী সদা তৎপর
কেবল ধর্মগুরু করে ঈশ্বরে নির্ভর।

বিবর্ণ বিষাদ

বিবর্ণ বিষাদ (গল্প)

মাহবুবুল আলম

কাশেম সাহেব আজ একরকম আয়েস করেই টিভি দেখতে বসেছেন। বাসায় একা। তাই অন্যান্য দিনের মতো রিমোট নিয়ে কাড়াকাড়ি নেই। স্ত্রী-পুত্র-কন্যারা সবাই বেড়াতে গেছে। ছেলে-মেয়েরা গেছে বন্ধুবান্ধদের বাসায় বা অন্য কোথাও আড্ডা দিতে; আর স্ত্রী আয়েশা চলে গেছে ‘পল্লবী’ বাবার বাড়িতে। ছেলে-মেয়েরাও হয়তো ঘোরাঘুরি শেষ করে নানার বাড়িতেই চলে যাবে। ফিরতে ফিরতে সে অনেকরাত।

এখানেই সব রঙ

চলে যাচ্ছে ও । ছেলেটা অবিকল আগের মতোই হাঁটে । কোন পরিবর্তন নেই । দুই হাত প্যান্টের দু’পকেটে ঢুকিয়ে মাথাটা একটু নিচু করে । রুনতি দেখছে আর ভাবছে , এভাবেই তো হাঁটত ও , যখন একসাথে পাশাপাশি হাঁটত তখনও । রিজু সব সময়ই নিজেকে কেমন গুটিয়ে রাখত । এই যে ,রুনতিকে যখন সে প্রায়ই বলত ভালোবাসার কথা , রুনতির মনে হত , বলে বেচারা নিজেই লজ্জা পাচ্ছে ।

October 2014
শনিবাররবিবারসোমবারমঙ্গলবারবুধবারবৃহঃবারশুক্রবার
45678910
11121314151617
18192021222324